Binance Square

spotsignal

This Page Only Daily Sport Signal Provide. so Follow this Page
60 Urmăriți
57 Urmăritori
43 Apreciate
0 Distribuite
Postări
PINNED
·
--
ইউটিউবারদের কথায় কয়েন কিনছেন? সাবধান! নিজের রিসার্চ (DYOR) ছাড়া ইনভেস্টমেন্ট মানেই আত্মহত্যা!আপনি কি ইউটিউবে "Next 100x Coin" বা "এই কয়েনটি কিনলেই কোটিপতি"—এমন থাম্বনেইল দেখে দৌড়ে গিয়ে কয়েন কেনেন? তারপর দেখেন মার্কেট ক্র্যাশ করেছে আর আপনার পোর্টফোলিও লালে লাল? যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তবে এই লেখাটি আপনার জন্য। মনে রাখবেন, ক্রিপ্টো মার্কেট কারো দয়া বা আবেগে চলে না। ⚠️ ইউটিউবাররা কেন কয়েন প্রমোট করে? (কালো সত্য) বেশিরভাগ (সবাই না) ইনফ্লুয়েন্সার বা ইউটিউবার যখন কোনো নির্দিষ্ট অল্টকয়েন নিয়ে খুব বেশি হাইপ তোলে, তখন পেছনের কারণগুলো হতে পারে: ১. পেইড প্রমোশন (Paid Promotion): ওই কয়েন কোম্পানি ইউটিউবারকে টাকা দিয়েছে তাদের প্রজেক্টের গুণগান গাওয়ার জন্য। ২. ব্যাগ হোল্ডার: তারা হয়তো অনেক কম দামে আগেই ওই কয়েন কিনে রেখেছে। এখন ভিডিও বানিয়ে হাইপ তুলছে যাতে দাম বাড়লে আপনার মাথায় সেই কয়েন বিক্রি করে (Dump) তারা প্রফিট নিয়ে বের হতে পারে। আপনি তখন হবেন তাদের "Exit Liquidity"। ✅ তাহলে কি করবেন? উত্তর হলো: DYOR ক্রিপ্টো জগতে একটি গোল্ডেন রুল আছে—DYOR (Do Your Own Research)। অর্থাৎ, নিজের গবেষণা নিজে করুন। কারো কথায় কান দেবেন না। 🔍 রিসার্চ করবেন কিভাবে? (সহজ ৫টি ধাপ) কোনো কয়েনে ইনভেস্ট করার আগে এই ৫টি প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন: ১. প্রজেক্টের কাজ কী? (Utility) কয়েনটি আসলে কী সমস্যার সমাধান করছে? নাকি এটি শুধুই একটি মিম কয়েন? যার কোনো কাজ নেই, তার কোনো ভবিষ্যৎ নেই। ২. হোয়াইটপেপার পড়েছেন? (Whitepaper) কয়েনটির ওয়েবসাইট বা CoinMarketCap-এ গিয়ে তাদের হোয়াইটপেপার দেখুন। তাদের রোডম্যাপ কী? তারা আগামী ৫ বছরে কী করতে চায়? ৩. টিম মেম্বার কারা? (Team) প্রজেক্টের পেছনের মানুষগুলো কারা? তাদের কি আগে কোনো সফল প্রজেক্ট আছে? নাকি তারা নাম-পরিচয় গোপন রাখা (Anonymous) টিম? টিম ভালো না হলে প্রজেক্ট স্ক্যাম হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%। ৪. টোকেনোমিক্স (Tokenomics) মোট সাপ্লাই কত?মার্কেটে কতগুলো কয়েন আনলক অবস্থায় আছে?যদি দেখেন ৮০% কয়েন ডেভেলপারদের কাছে লক করা, তবে সাবধান! তারা যেকোনো সময় মার্কেট ডাম্প করতে পারে। ৫. কমিউনিটি অ্যাক্টিভিটি তাদের টুইটার বা ডিসকর্ডে মানুষ কি বলছে? সেখানে কি শুধুই বট (Bot) নাকি রিয়েল মানুষ আলোচনা করছে? 💡 শেষ কথা: আপনার লাভ, আপনারই লস ইউটিউবাররা ভিডিও বানিয়ে ভিউ আর স্পন্সরশিপের টাকা পেয়ে যাবে। কিন্তু লস হলে আপনার পকেটের টাকাই যাবে, তারা এক টাকাও ফেরত দেবে না। তাই "ব্লাইন্ড ইনভেস্টর" না হয়ে "স্মার্ট ইনভেস্টর" হোন। সিগন্যাল গ্রুপের পেছনে না দৌড়ে নিজেকে শিক্ষিত করুন। মনে রাখবেন: আপনার রিসার্চই আপনার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। 💬 আপনার কি কখনো কারো কথা শুনে কয়েন কিনে লস হয়েছে? কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন, যাতে অন্যরা সতর্ক হতে পারে। #DYOR #CryptoSafety #SmartInvesting #BinanceSquare #BanglaCrypto #Education

ইউটিউবারদের কথায় কয়েন কিনছেন? সাবধান! নিজের রিসার্চ (DYOR) ছাড়া ইনভেস্টমেন্ট মানেই আত্মহত্যা!

আপনি কি ইউটিউবে "Next 100x Coin" বা "এই কয়েনটি কিনলেই কোটিপতি"—এমন থাম্বনেইল দেখে দৌড়ে গিয়ে কয়েন কেনেন? তারপর দেখেন মার্কেট ক্র্যাশ করেছে আর আপনার পোর্টফোলিও লালে লাল?
যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তবে এই লেখাটি আপনার জন্য। মনে রাখবেন, ক্রিপ্টো মার্কেট কারো দয়া বা আবেগে চলে না।
⚠️ ইউটিউবাররা কেন কয়েন প্রমোট করে? (কালো সত্য)
বেশিরভাগ (সবাই না) ইনফ্লুয়েন্সার বা ইউটিউবার যখন কোনো নির্দিষ্ট অল্টকয়েন নিয়ে খুব বেশি হাইপ তোলে, তখন পেছনের কারণগুলো হতে পারে:
১. পেইড প্রমোশন (Paid Promotion): ওই কয়েন কোম্পানি ইউটিউবারকে টাকা দিয়েছে তাদের প্রজেক্টের গুণগান গাওয়ার জন্য।
২. ব্যাগ হোল্ডার: তারা হয়তো অনেক কম দামে আগেই ওই কয়েন কিনে রেখেছে। এখন ভিডিও বানিয়ে হাইপ তুলছে যাতে দাম বাড়লে আপনার মাথায় সেই কয়েন বিক্রি করে (Dump) তারা প্রফিট নিয়ে বের হতে পারে। আপনি তখন হবেন তাদের "Exit Liquidity"।
✅ তাহলে কি করবেন? উত্তর হলো: DYOR
ক্রিপ্টো জগতে একটি গোল্ডেন রুল আছে—DYOR (Do Your Own Research)। অর্থাৎ, নিজের গবেষণা নিজে করুন। কারো কথায় কান দেবেন না।
🔍 রিসার্চ করবেন কিভাবে? (সহজ ৫টি ধাপ)
কোনো কয়েনে ইনভেস্ট করার আগে এই ৫টি প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন:
১. প্রজেক্টের কাজ কী? (Utility)
কয়েনটি আসলে কী সমস্যার সমাধান করছে? নাকি এটি শুধুই একটি মিম কয়েন? যার কোনো কাজ নেই, তার কোনো ভবিষ্যৎ নেই।
২. হোয়াইটপেপার পড়েছেন? (Whitepaper)
কয়েনটির ওয়েবসাইট বা CoinMarketCap-এ গিয়ে তাদের হোয়াইটপেপার দেখুন। তাদের রোডম্যাপ কী? তারা আগামী ৫ বছরে কী করতে চায়?
৩. টিম মেম্বার কারা? (Team)
প্রজেক্টের পেছনের মানুষগুলো কারা? তাদের কি আগে কোনো সফল প্রজেক্ট আছে? নাকি তারা নাম-পরিচয় গোপন রাখা (Anonymous) টিম? টিম ভালো না হলে প্রজেক্ট স্ক্যাম হওয়ার সম্ভাবনা ৯০%।
৪. টোকেনোমিক্স (Tokenomics)
মোট সাপ্লাই কত?মার্কেটে কতগুলো কয়েন আনলক অবস্থায় আছে?যদি দেখেন ৮০% কয়েন ডেভেলপারদের কাছে লক করা, তবে সাবধান! তারা যেকোনো সময় মার্কেট ডাম্প করতে পারে।
৫. কমিউনিটি অ্যাক্টিভিটি
তাদের টুইটার বা ডিসকর্ডে মানুষ কি বলছে? সেখানে কি শুধুই বট (Bot) নাকি রিয়েল মানুষ আলোচনা করছে?
💡 শেষ কথা: আপনার লাভ, আপনারই লস
ইউটিউবাররা ভিডিও বানিয়ে ভিউ আর স্পন্সরশিপের টাকা পেয়ে যাবে। কিন্তু লস হলে আপনার পকেটের টাকাই যাবে, তারা এক টাকাও ফেরত দেবে না।
তাই "ব্লাইন্ড ইনভেস্টর" না হয়ে "স্মার্ট ইনভেস্টর" হোন। সিগন্যাল গ্রুপের পেছনে না দৌড়ে নিজেকে শিক্ষিত করুন।
মনে রাখবেন: আপনার রিসার্চই আপনার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার।
💬 আপনার কি কখনো কারো কথা শুনে কয়েন কিনে লস হয়েছে? কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন, যাতে অন্যরা সতর্ক হতে পারে।
#DYOR #CryptoSafety #SmartInvesting #BinanceSquare #BanglaCrypto #Education
PINNED
ক্যান্ডেল সবুজ দেখলেই কেনা শুরু করেন? সাবধান! FOMO-তে পড়লে আপনার পোর্টফোলিও খালি হতে সময় লাগবে নাবাইনান্স অ্যাপ ওপেন করলেন। দেখলেন কোনো একটি কয়েন ২০% বা ৩০% পাম্প করেছে। বড় বড় সবুজ ক্যান্ডেল দেখে আপনার মনে হলো— "ইশ! এখনই না কিনলে সব মিস হয়ে যাবে! বিটকয়েন বুঝি চাঁদে চলে গেল!" আপনি তাড়াহুড়ো করে 'Buy' বাটন চাপলেন। আর ঠিক তার কিছুক্ষণ পরেই মার্কেট লাল হতে শুরু করলো। আপনার প্রফিট তো হলোই না, উল্টো আপনি হাই প্রাইসে (High Price) কয়েন কিনে ফেঁসে গেলেন। এই গল্পটি কি আপনার পরিচিত মনে হচ্ছে? যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তবে আপনি FOMO (Fear Of Missing Out) নামক ভাইরাসে আক্রান্ত। ⚠️ সবুজ ক্যান্ডেল কেন ফাঁদ হতে পারে? মার্কেটে একটি কথা প্রচলিত আছে: "Green candles are for selling, Red candles are for buying." (সবুজ ক্যান্ডেল বিক্রির জন্য, লাল ক্যান্ডেল কেনার জন্য)। কিন্তু আমরা করি ঠিক তার উল্টোটা। কেন? ১. দেরিতে প্রবেশ: যখন আপনি বড় সবুজ ক্যান্ডেল দেখছেন, তার মানে হলো স্মার্ট মানি বা হোয়েলরা (Whales) অনেক আগেই নিচ থেকে কিনে ফেলেছে। এখন দাম যখন বেড়েছে, তখন তারা প্রফিট বুক করার জন্য বিক্রি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ২. এক্সিট লিকুইডিটি: টপ প্রাইসে আপনি যখন কিনছেন, তখন আসলে আপনি হোয়েলদের জন্য "Exit Liquidity" হিসেবে কাজ করছেন। অর্থাৎ, তারা আপনার কাছে চড়া দামে মাল গছিয়ে দিয়ে মার্কেট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। ✅ FOMO থেকে বাঁচার ৩টি উপায়: ১. পাম্প চেজ (Chase) করবেন না: ট্রেন স্টেশন ছেড়ে চলে গেলে যেমন তার পেছনে দৌড়ে লাভ নেই, তেমনি কোনো কয়েন পাম্প করে ফেললে তার পেছনে দৌড়াবেন না। মনে রাখবেন, ক্রিপ্টো মার্কেটে সুযোগের অভাব নেই। একটি কয়েন মিস হলে কাল আরেকটি সুযোগ আসবে। কিন্তু ভুল ট্রেডে ক্যাপিটাল হারালে আর সুযোগ পাবেন না। ২. রিটেস্টের (Retest) জন্য অপেক্ষা করুন: কোনো কয়েন ব্রেকআউট দিলে সাথে সাথে না কিনে অপেক্ষা করুন। মার্কেট সাধারণত ব্রেকআউটের পর আবার আগের লেভেলে ফিরে আসে (Retest)। সেই পুলব্যাক বা লাল ক্যান্ডেলে কিনলে রিস্ক অনেক কমে যায়। ৩. প্ল্যান ছাড়া এন্ট্রি নয়: মার্কেট পাম্প করছে বলেই ট্রেড নিতে হবে—এটা কোনো স্ট্র্যাটেজি নয়। ট্রেড নেওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন: "আমার স্টপ লস কোথায় হবে?" যদি দেখেন স্টপ লস অনেক দূরে, তবে সেই ট্রেডটি এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। 💡 শেষ কথা: ট্রেডিংয়ে টাকা কামানোর চেয়ে টাকা রক্ষা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। "মিসিং আউট" (Missing out) হওয়া লস করার চেয়ে হাজার গুণ ভালো। তাই পরেরবার বড় সবুজ ক্যান্ডেল দেখে যখন হাত নিশপিশ করবে, তখন নিজেকে বলবেন— "আমি জুয়াড়ি নই, আমি ট্রেডার। আমি আবেগে নয়, সেটআপে বিশ্বাসী।" 💬 আপনি কি কখনো FOMO-তে পড়ে টপ প্রাইসে কয়েন কিনেছেন? কমেন্টে সত্যটা স্বীকার করুন! 👇 #FOMO #TradingPsychology #CryptoMistakes #BinanceSquare #BanglaTradingTips

ক্যান্ডেল সবুজ দেখলেই কেনা শুরু করেন? সাবধান! FOMO-তে পড়লে আপনার পোর্টফোলিও খালি হতে সময় লাগবে না

বাইনান্স অ্যাপ ওপেন করলেন। দেখলেন কোনো একটি কয়েন ২০% বা ৩০% পাম্প করেছে। বড় বড় সবুজ ক্যান্ডেল দেখে আপনার মনে হলো— "ইশ! এখনই না কিনলে সব মিস হয়ে যাবে! বিটকয়েন বুঝি চাঁদে চলে গেল!"
আপনি তাড়াহুড়ো করে 'Buy' বাটন চাপলেন। আর ঠিক তার কিছুক্ষণ পরেই মার্কেট লাল হতে শুরু করলো। আপনার প্রফিট তো হলোই না, উল্টো আপনি হাই প্রাইসে (High Price) কয়েন কিনে ফেঁসে গেলেন।
এই গল্পটি কি আপনার পরিচিত মনে হচ্ছে? যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তবে আপনি FOMO (Fear Of Missing Out) নামক ভাইরাসে আক্রান্ত।
⚠️ সবুজ ক্যান্ডেল কেন ফাঁদ হতে পারে?
মার্কেটে একটি কথা প্রচলিত আছে: "Green candles are for selling, Red candles are for buying." (সবুজ ক্যান্ডেল বিক্রির জন্য, লাল ক্যান্ডেল কেনার জন্য)।
কিন্তু আমরা করি ঠিক তার উল্টোটা। কেন?
১. দেরিতে প্রবেশ: যখন আপনি বড় সবুজ ক্যান্ডেল দেখছেন, তার মানে হলো স্মার্ট মানি বা হোয়েলরা (Whales) অনেক আগেই নিচ থেকে কিনে ফেলেছে। এখন দাম যখন বেড়েছে, তখন তারা প্রফিট বুক করার জন্য বিক্রি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
২. এক্সিট লিকুইডিটি: টপ প্রাইসে আপনি যখন কিনছেন, তখন আসলে আপনি হোয়েলদের জন্য "Exit Liquidity" হিসেবে কাজ করছেন। অর্থাৎ, তারা আপনার কাছে চড়া দামে মাল গছিয়ে দিয়ে মার্কেট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।
✅ FOMO থেকে বাঁচার ৩টি উপায়:
১. পাম্প চেজ (Chase) করবেন না:
ট্রেন স্টেশন ছেড়ে চলে গেলে যেমন তার পেছনে দৌড়ে লাভ নেই, তেমনি কোনো কয়েন পাম্প করে ফেললে তার পেছনে দৌড়াবেন না। মনে রাখবেন, ক্রিপ্টো মার্কেটে সুযোগের অভাব নেই। একটি কয়েন মিস হলে কাল আরেকটি সুযোগ আসবে। কিন্তু ভুল ট্রেডে ক্যাপিটাল হারালে আর সুযোগ পাবেন না।
২. রিটেস্টের (Retest) জন্য অপেক্ষা করুন:
কোনো কয়েন ব্রেকআউট দিলে সাথে সাথে না কিনে অপেক্ষা করুন। মার্কেট সাধারণত ব্রেকআউটের পর আবার আগের লেভেলে ফিরে আসে (Retest)। সেই পুলব্যাক বা লাল ক্যান্ডেলে কিনলে রিস্ক অনেক কমে যায়।
৩. প্ল্যান ছাড়া এন্ট্রি নয়:
মার্কেট পাম্প করছে বলেই ট্রেড নিতে হবে—এটা কোনো স্ট্র্যাটেজি নয়। ট্রেড নেওয়ার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন: "আমার স্টপ লস কোথায় হবে?" যদি দেখেন স্টপ লস অনেক দূরে, তবে সেই ট্রেডটি এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
💡 শেষ কথা:
ট্রেডিংয়ে টাকা কামানোর চেয়ে টাকা রক্ষা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। "মিসিং আউট" (Missing out) হওয়া লস করার চেয়ে হাজার গুণ ভালো।
তাই পরেরবার বড় সবুজ ক্যান্ডেল দেখে যখন হাত নিশপিশ করবে, তখন নিজেকে বলবেন— "আমি জুয়াড়ি নই, আমি ট্রেডার। আমি আবেগে নয়, সেটআপে বিশ্বাসী।"
💬 আপনি কি কখনো FOMO-তে পড়ে টপ প্রাইসে কয়েন কিনেছেন? কমেন্টে সত্যটা স্বীকার করুন! 👇
#FOMO #TradingPsychology #CryptoMistakes #BinanceSquare #BanglaTradingTips
Vedeți traducerea
হ্যামার ক্যান্ডেল দেখতে কেমন? চার্টে হ্যামার চেনার ৩টি সহজ উপায়: ছোট বডি (Body): এর উপরের অংশ (Head) বা বডি খুব ছোট হবে। লম্বা লেজ (Wick/Shadow): এর নিচের দিকে একটি লম্বা লেজ বা সুতা থাকবে। নিয়ম হলো—বডি যতটুকু, লেজ তার অন্তত দ্বিগুণ (2x) বা তিনগুণ লম্বা হতে হবে। উপরের লেজ নেই: এর উপরের দিকে সাধারণত কোনো লেজ থাকে না, বা থাকলেও খুব সামান্য।
হ্যামার ক্যান্ডেল দেখতে কেমন?
চার্টে হ্যামার চেনার ৩টি সহজ উপায়:
ছোট বডি (Body): এর উপরের অংশ (Head) বা বডি খুব ছোট হবে।
লম্বা লেজ (Wick/Shadow): এর নিচের দিকে একটি লম্বা লেজ বা সুতা থাকবে। নিয়ম হলো—বডি যতটুকু, লেজ তার অন্তত দ্বিগুণ (2x) বা তিনগুণ লম্বা হতে হবে।
উপরের লেজ নেই: এর উপরের দিকে সাধারণত কোনো লেজ থাকে না, বা থাকলেও খুব সামান্য।
·
--
Bullish
Vedeți traducerea
নিজেকে প্রশ্ন করুন: আপনার সেটআপ বা স্ট্র্যাটেজি না মিললে কি আপনি ৩ দিন ট্রেড না করে বসে থাকতে পারেন? আপনার কেনা কয়েনটি ১০% লসে গেলে কি আপনি প্যানিক না হয়ে চার্ট এনালাইসিস করতে পারেন? আপনি কি লস মেনে নিয়ে (Stop Loss) কম্পিউটার বন্ধ করে ঘুমাতে পারেন?
নিজেকে প্রশ্ন করুন:
আপনার সেটআপ বা স্ট্র্যাটেজি না মিললে কি আপনি ৩ দিন ট্রেড না করে বসে থাকতে পারেন?
আপনার কেনা কয়েনটি ১০% লসে গেলে কি আপনি প্যানিক না হয়ে চার্ট এনালাইসিস করতে পারেন?
আপনি কি লস মেনে নিয়ে (Stop Loss) কম্পিউটার বন্ধ করে ঘুমাতে পারেন?
Vedeți traducerea
মার্কেট যখন লাল, তখন মাথা রাখুন ঠান্ডা (Cool)। লাল চার্ট মানেই লস নয়, এটি হতে পারে নতুন সুযোগ। ট্রেডিং এবং জুয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝাটাই একজন সফল এবং একজন ব্যর্থ ট্রেডারের মধ্যে মূল ব্যবধান গড়ে দেয়। নতুনরা অনেকেই ক্রিপ্টো মার্কেটকে একটি "টাকা ছাপানোর মেশিন" বা লটারির টিকিট মনে করেন। এই ভ্রান্ত ধারণাই তাদের পতনের মূল কারণ।
মার্কেট যখন লাল, তখন মাথা রাখুন ঠান্ডা (Cool)। লাল চার্ট মানেই লস নয়, এটি হতে পারে নতুন সুযোগ।
ট্রেডিং এবং জুয়ার মধ্যে পার্থক্য বোঝাটাই একজন সফল এবং একজন ব্যর্থ ট্রেডারের মধ্যে মূল ব্যবধান গড়ে দেয়। নতুনরা অনেকেই ক্রিপ্টো মার্কেটকে একটি "টাকা ছাপানোর মেশিন" বা লটারির টিকিট মনে করেন। এই ভ্রান্ত ধারণাই তাদের পতনের মূল কারণ।
Tranzacționare emoțională = pierdere sigură! Pentru a avea succes, învățați să tranzacționați ca un 'robot'Ați fost vreodată într-o astfel de situație? Văzând că aveți pierderi în tranzacție, ați preluat o tranzacție și mai mare din furie pentru a acoperi pierderile (Tranzacționare din răzbunare)? Piața a scăzut puțin și a vândut tot din frică (Vânzare în panică)? Chiar și când vedeți profit, nu ați realizat profiturile din lăcomie, ați crezut că va continua să crească (Lăcomie)?

Tranzacționare emoțională = pierdere sigură! Pentru a avea succes, învățați să tranzacționați ca un 'robot'

Ați fost vreodată într-o astfel de situație?
Văzând că aveți pierderi în tranzacție, ați preluat o tranzacție și mai mare din furie pentru a acoperi pierderile (Tranzacționare din răzbunare)?
Piața a scăzut puțin și a vândut tot din frică (Vânzare în panică)?
Chiar și când vedeți profit, nu ați realizat profiturile din lăcomie, ați crezut că va continua să crească (Lăcomie)?
Schimbi strategia doar când pierzi? Aceasta este cauza principală a eșecului tău!Ești unul dintre traderii care încearcă săptămânal noi indicatori sau noi metode? Dacă da, atunci de fapt nu faci trading; cauți "Sfântul Graal"—o strategie magică care nu va pierde niciodată.

Schimbi strategia doar când pierzi? Aceasta este cauza principală a eșecului tău!

Ești unul dintre traderii care încearcă săptămânal noi indicatori sau noi metode? Dacă da, atunci de fapt nu faci trading; cauți "Sfântul Graal"—o strategie magică care nu va pierde niciodată.
Rodul răbdării este dulce: vrăjitorie pentru a supraviețui pe piața crypto 'HODL'Pe piața crypto există o vorbă foarte comună— "Piața este un instrument care scoate banii din buzunarele oamenilor nerăbdători și îi pune în buzunarele oamenilor răbdători." Mulți investesc în criptomonede cu speranța de a deveni milionari peste noapte. Dar de fiecare dată când piața scade puțin (corectare), mâinile lor încep să tremure. Ei se tem și vând monedele în pierdere. Și exact atunci pierd.

Rodul răbdării este dulce: vrăjitorie pentru a supraviețui pe piața crypto 'HODL'

Pe piața crypto există o vorbă foarte comună— "Piața este un instrument care scoate banii din buzunarele oamenilor nerăbdători și îi pune în buzunarele oamenilor răbdători."
Mulți investesc în criptomonede cu speranța de a deveni milionari peste noapte. Dar de fiecare dată când piața scade puțin (corectare), mâinile lor încep să tremure. Ei se tem și vând monedele în pierdere. Și exact atunci pierd.
Nu reușiți să vă controlați lăcomia? Dacă banii profitului nu intră în buzunar, piața îi va lua!Ați realizat o tranzacție. După câteva momente, ați observat semnalul verde pe ecran—faceți profit. V-ați gândit în sinea voastră, "Să mai crească puțin, apoi voi vinde." Piața a crescut și mai mult. A crescut și lăcomia dumneavoastră. V-ați gândit, "Astăzi va fi jackpot!"

Nu reușiți să vă controlați lăcomia? Dacă banii profitului nu intră în buzunar, piața îi va lua!

Ați realizat o tranzacție. După câteva momente, ați observat semnalul verde pe ecran—faceți profit. V-ați gândit în sinea voastră, "Să mai crească puțin, apoi voi vinde." Piața a crescut și mai mult. A crescut și lăcomia dumneavoastră. V-ați gândit, "Astăzi va fi jackpot!"
Îți afectează somnul prăbușirea pieței? Atunci ești pe calea greșită!Noaptea 3. Ești pe pat, întorcându-te dintr-o parte în alta. În mână ai un smartphone, te uiți la ecran la graficele pieței de acțiuni sau criptomonedelor. Graficele sunt pline de roșu—piața se prăbușește. Pulsul îți crește, fruntea îți este îngrijorată. Se pare că totul s-a terminat!

Îți afectează somnul prăbușirea pieței? Atunci ești pe calea greșită!

Noaptea 3. Ești pe pat, întorcându-te dintr-o parte în alta. În mână ai un smartphone, te uiți la ecran la graficele pieței de acțiuni sau criptomonedelor. Graficele sunt pline de roșu—piața se prăbușește. Pulsul îți crește, fruntea îți este îngrijorată. Se pare că totul s-a terminat!
Tranzacționarea cu bani împrumutați: De ce este cea mai mare greșeală din viața ta?Piața de capital, Forex sau criptomonede - mulți visează să devină bogați peste noapte prin tranzacționare. Dar atunci când nu ai suficient capital, mulți se gândesc să înceapă tranzacționarea prin împrumuturi sau datorii. Deși pare profitabil, este de fapt o decizie sinucigașă.

Tranzacționarea cu bani împrumutați: De ce este cea mai mare greșeală din viața ta?

Piața de capital, Forex sau criptomonede - mulți visează să devină bogați peste noapte prin tranzacționare. Dar atunci când nu ai suficient capital, mulți se gândesc să înceapă tranzacționarea prin împrumuturi sau datorii. Deși pare profitabil, este de fapt o decizie sinucigașă.
Link Coin. Numai Sport Cumpără. Zona 1 (Agresivă): Dacă prețul scade în intervalul $13.45 - $13.55 și arată semne de revenire (cum ar fi o lumânare verde), poți lua o poziție/introducere mică. Zona 2 (Conservatoare/Sigură): Cea mai bună zonă de cumpărare ar fi zona $13.00 - $13.20. Cu excepția cazului în care există o prăbușire majoră în Bitcoin sau în piața mai largă, prețul este foarte probabil să revină de la acest nivel. #Crypto #Cryptocurrency #Bitcoin #Trading #Binance #CryptoTrading #Investment #MoneyMaking #FinancialFreedom #SuccessStory #TraderLife #FirstIncome
Link Coin. Numai Sport Cumpără.

Zona 1 (Agresivă): Dacă prețul scade în intervalul $13.45 - $13.55 și arată semne de revenire (cum ar fi o lumânare verde), poți lua o poziție/introducere mică.
Zona 2 (Conservatoare/Sigură): Cea mai bună zonă de cumpărare ar fi zona $13.00 - $13.20. Cu excepția cazului în care există o prăbușire majoră în Bitcoin sau în piața mai largă, prețul este foarte probabil să revină de la acest nivel.

#Crypto #Cryptocurrency #Bitcoin #Trading #Binance #CryptoTrading #Investment #MoneyMaking #FinancialFreedom #SuccessStory #TraderLife #FirstIncome
Ar trebui să cumperi DOGE acum? (Actualizare de piață) Setare de tranzacționare: 🎯 Zonă de intrare: $0.1350 - $0.1380 (Cumpără la scădere) ✅ Obiective: $0.1430, $0.1470+ 🛑 Stop Loss: Sub $0.1320 #Dogecoin‬⁩
Ar trebui să cumperi DOGE acum? (Actualizare de piață)

Setare de tranzacționare:
🎯 Zonă de intrare: $0.1350 - $0.1380 (Cumpără la scădere)
✅ Obiective: $0.1430, $0.1470+
🛑 Stop Loss: Sub $0.1320

#Dogecoin‬⁩
Când va veni sezonul altcoinurilor (Altseason)? Este geanta ta pregătită?Când Bitcoin sparge sau se află într-o poziție puternică pe piața criptomonedelor, atenția investitorilor se îndreaptă spre alte direcții. O singură întrebare îi frământă pe toți – "Când vor zbura altcoinele mele (Altcoins) ca rachetele?"

Când va veni sezonul altcoinurilor (Altseason)? Este geanta ta pregătită?

Când Bitcoin sparge sau se află într-o poziție puternică pe piața criptomonedelor, atenția investitorilor se îndreaptă spre alte direcții. O singură întrebare îi frământă pe toți – "Când vor zbura altcoinele mele (Altcoins) ca rachetele?"
"Of! Dacă aș fi cumpărat cu puțin timp înainte, ar fi fost mai bine"—cea mai mare capcană psihologică în tranzacționareÎn lumea tranzacționării sau investițiilor, nu există nici o persoană care să nu fi spus vreodată în mintea ei: „Of! Dacă aș fi cumpărat cu puțin timp înainte, acum aș fi avut cât de mult profit!” Este normal să ai această regret în momentul în care vezi o mare lumânare verde pe piață sau o creștere bruscă a prețului. Dar știai că? Această mică regret este ceea ce face diferența între un trader de succes și un trader perdant. Acest cuvânt „of” te obligă să intri în tranzacții la momentul greșit și la sfârșitul zilei te trezești cu pierderi.

"Of! Dacă aș fi cumpărat cu puțin timp înainte, ar fi fost mai bine"—cea mai mare capcană psihologică în tranzacționare

În lumea tranzacționării sau investițiilor, nu există nici o persoană care să nu fi spus vreodată în mintea ei: „Of! Dacă aș fi cumpărat cu puțin timp înainte, acum aș fi avut cât de mult profit!”
Este normal să ai această regret în momentul în care vezi o mare lumânare verde pe piață sau o creștere bruscă a prețului. Dar știai că? Această mică regret este ceea ce face diferența între un trader de succes și un trader perdant. Acest cuvânt „of” te obligă să intri în tranzacții la momentul greșit și la sfârșitul zilei te trezești cu pierderi.
Lansarea futures pentru Cardano (ADA) și Chainlink (LINK) de către CME GroupCME Group, unul dintre cele mai importante piețe de derivate din lume, a anunțat că va adăuga Cardano (ADA) și Chainlink (LINK) la lista lor de futures pentru criptomonede. De asemenea, Stellar (XLM) va fi adăugat. Informații importante:

Lansarea futures pentru Cardano (ADA) și Chainlink (LINK) de către CME Group

CME Group, unul dintre cele mai importante piețe de derivate din lume, a anunțat că va adăuga Cardano (ADA) și Chainlink (LINK) la lista lor de futures pentru criptomonede. De asemenea, Stellar (XLM) va fi adăugat.

Informații importante:
৯৫% ট্রেডার কেন লস করে? আসল কারণটি জানলে আপনিও প্রফিটে থাকবেন!😀"ট্রেডিংয়ে লস করা খুবই সহজ, কিন্তু টিকে থাকাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। আপনি কোন দলে? ৯৫% নাকি ৫%? ট্রেডিং জগতে একটি নির্মম সত্য প্রচলিত আছে—এখানে আসা ১০০ জনের মধ্যে ৯৫ জনই শেষ পর্যন্ত তাদের পুঁজি হারিয়ে ফিরে যান। মাত্র ৫ জন টিকে থাকেন এবং প্রফিট করেন। কিন্তু কেন? মার্কেট কি সবার জন্য আলাদা? চার্ট কি একেকজনকে একেক রকম দেখায়? মোটেও না। চার্ট সবার জন্যই এক, কিন্তু পার্থক্যটা থাকে ‘পরিকল্পনায়’। বেশিরভাগ মানুষ ট্রেডিংকে ‘টাকা ছাপানোর মেশিন’ মনে করে কোনো প্ল্যান ছাড়াই ঝাঁপ দেয়, আর ফলাফল হয় ভয়াবহ। চলুন জেনে নিই, কেন এই বিশাল সংখ্যক মানুষ ব্যর্থ হয় এবং কীভাবে আপনি সেই সফল ৫%-এর দলে ঢুকতে পারেন। ১. প্ল্যান ছাড়া যুদ্ধে নামা (No Trading Plan) যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র আর কৌশল ছাড়া নামলে যেমন পরাজয় নিশ্চিত, ট্রেডিংয়েও প্ল্যান ছাড়া নামা মানেই পুঁজি হারানো। ৯৫% ট্রেডার সকালে ঘুম থেকে উঠে চার্ট ওপেন করেন এবং ভাবেন, "মার্কেট তো বাড়ছে, একটা বাই (Buy) নিয়ে ফেলি।" কিন্তু একজন সফল ট্রেডার ট্রেড নেওয়ার আগেই তিনটি প্রশ্নের উত্তর জানেন: আমি কেন এন্ট্রি নিচ্ছি? (Logic)আমার টার্গেট কত? (Take Profit)যদি ভুল হয়, আমি কতটুকু লস মেনে নেব? (Stop Loss) ২. রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন (Get Rich Quick Scheme) বেশিরভাগ নতুন ট্রেডার আসেন দ্রুত টাকা কামানোর নেশায়। তারা মনে করেন ১০০ ডলার ইনভেস্ট করে ১ মাসেই সেটা ১০০০ ডলার বানাবেন। এই লটারির মানসিকতাই তাদের ধ্বংসের মূল কারণ। ট্রেডিং কোনো জুয়া নয়, এটি একটি সিরিয়াস বিজনেস। একটা মুদি দোকান দিতেও যেমন সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন, এখানেও তাই। ৩. ইমোশন বা আবেগের দাসত্ব (Emotional Trading) চার্টে বড় একটা সবুজ ক্যান্ডেল দেখলেই মনে হয়, "ইশ! মিস হয়ে গেল, এখনই কিনতে হবে!" একে বলা হয় FOMO (Fear Of Missing Out)। আবার ট্রেড লসে গেলে লস রিকভার করার জেদ চেপে বসে। সফল ট্রেডাররা রোবটের মতো নিয়ম মেনে চলেন, আবেগের বশবর্তী হয়ে ট্রেড করেন না। ৪. রিস্ক ম্যানেজমেন্ট না থাকা (The Silent Killer) একজন নতুন ট্রেডার তার পুরো পুঁজি বা ৫০% এক ট্রেডেই লাগিয়ে দেন। ফলে মার্কেট একটু বিপরীতে গেলেই অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে যায়। অথচ নিয়ম হলো—এক ট্রেডে আপনার মোট পুঁজির ১% বা ২%-এর বেশি রিস্ক নেওয়া উচিত নয়। লস হলে সেটা যাতে গায়ে না লাগে, সেই ব্যবস্থা আগেই করে রাখতে হয়। ৫. শেখার চেয়ে সিগন্যালের ওপর ভরসা নিজে এনালাইসিস না শিখে বিভিন্ন টেলিগ্রাম বা ফেসবুক গ্রুপের সিগন্যালের ওপর ভরসা করা হলো অন্ধের মতো রাস্তা পার হওয়ার শামিল। অন্যের বুদ্ধিতে সাময়িক লাভ হলেও, দিনশেষে আপনি পঙ্গু হয়েই থাকবেন। সমাধান: সফল হতে হলে কী করবেন? আপনি যদি সেই ৫% সফল মানুষের কাতারে থাকতে চান, তবে আজ থেকেই এই নিয়মগুলো মেনে চলুন: ১. ট্রেডিং জার্নাল মেইনটেইন করুন: প্রতিদিন কেন ট্রেড নিলেন, কী ভুল হলো, কী লাভ হলো—তা লিখে রাখুন। ২. লস মেনে নিতে শিখুন: স্টপ লস (Stop Loss) ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করুন। ছোট লস মেনে নিলে বড় লস থেকে বাঁচা যায়। ৩. প্ল্যান ছাড়া এন্ট্রি নয়: চার্ট যতই লোভনীয় হোক, আপনার স্ট্র্যাটেজিতে না মিললে ট্রেড করবেন না। বসে থাকাও বা 'নো ট্রেড' করাও একটি পজিশন। ৪. শেখা থামাবেন না: প্রফিটের পেছনে না ছুটে স্কিল ডেভেলপমেন্টের পেছনে ছুটুন, টাকা এমনিতেই আসবে। ট্রেডিং কোনো ১০০ মিটারের দৌড় নয়, এটি একটি ম্যারাথন। এখানে তারাই টিকে থাকে, যারা ধীরে সুস্থে প্রতিটি পা ফেলে। প্ল্যান ছাড়া মার্কেটে ঝাঁপ দিয়ে নিজের কষ্টার্জিত টাকা নষ্ট করবেন না। নিজেকে সময় দিন, শিখুন এবং তৈরি হন।

৯৫% ট্রেডার কেন লস করে? আসল কারণটি জানলে আপনিও প্রফিটে থাকবেন!

😀"ট্রেডিংয়ে লস করা খুবই সহজ, কিন্তু টিকে থাকাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। আপনি কোন দলে? ৯৫% নাকি ৫%?

ট্রেডিং জগতে একটি নির্মম সত্য প্রচলিত আছে—এখানে আসা ১০০ জনের মধ্যে ৯৫ জনই শেষ পর্যন্ত তাদের পুঁজি হারিয়ে ফিরে যান। মাত্র ৫ জন টিকে থাকেন এবং প্রফিট করেন।
কিন্তু কেন? মার্কেট কি সবার জন্য আলাদা? চার্ট কি একেকজনকে একেক রকম দেখায়? মোটেও না। চার্ট সবার জন্যই এক, কিন্তু পার্থক্যটা থাকে ‘পরিকল্পনায়’।
বেশিরভাগ মানুষ ট্রেডিংকে ‘টাকা ছাপানোর মেশিন’ মনে করে কোনো প্ল্যান ছাড়াই ঝাঁপ দেয়, আর ফলাফল হয় ভয়াবহ। চলুন জেনে নিই, কেন এই বিশাল সংখ্যক মানুষ ব্যর্থ হয় এবং কীভাবে আপনি সেই সফল ৫%-এর দলে ঢুকতে পারেন।
১. প্ল্যান ছাড়া যুদ্ধে নামা (No Trading Plan)
যুদ্ধক্ষেত্রে অস্ত্র আর কৌশল ছাড়া নামলে যেমন পরাজয় নিশ্চিত, ট্রেডিংয়েও প্ল্যান ছাড়া নামা মানেই পুঁজি হারানো।
৯৫% ট্রেডার সকালে ঘুম থেকে উঠে চার্ট ওপেন করেন এবং ভাবেন, "মার্কেট তো বাড়ছে, একটা বাই (Buy) নিয়ে ফেলি।"
কিন্তু একজন সফল ট্রেডার ট্রেড নেওয়ার আগেই তিনটি প্রশ্নের উত্তর জানেন:
আমি কেন এন্ট্রি নিচ্ছি? (Logic)আমার টার্গেট কত? (Take Profit)যদি ভুল হয়, আমি কতটুকু লস মেনে নেব? (Stop Loss)
২. রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন (Get Rich Quick Scheme)
বেশিরভাগ নতুন ট্রেডার আসেন দ্রুত টাকা কামানোর নেশায়। তারা মনে করেন ১০০ ডলার ইনভেস্ট করে ১ মাসেই সেটা ১০০০ ডলার বানাবেন। এই লটারির মানসিকতাই তাদের ধ্বংসের মূল কারণ। ট্রেডিং কোনো জুয়া নয়, এটি একটি সিরিয়াস বিজনেস। একটা মুদি দোকান দিতেও যেমন সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন, এখানেও তাই।
৩. ইমোশন বা আবেগের দাসত্ব (Emotional Trading)
চার্টে বড় একটা সবুজ ক্যান্ডেল দেখলেই মনে হয়, "ইশ! মিস হয়ে গেল, এখনই কিনতে হবে!" একে বলা হয় FOMO (Fear Of Missing Out)। আবার ট্রেড লসে গেলে লস রিকভার করার জেদ চেপে বসে। সফল ট্রেডাররা রোবটের মতো নিয়ম মেনে চলেন, আবেগের বশবর্তী হয়ে ট্রেড করেন না।
৪. রিস্ক ম্যানেজমেন্ট না থাকা (The Silent Killer)
একজন নতুন ট্রেডার তার পুরো পুঁজি বা ৫০% এক ট্রেডেই লাগিয়ে দেন। ফলে মার্কেট একটু বিপরীতে গেলেই অ্যাকাউন্ট ফাঁকা হয়ে যায়।
অথচ নিয়ম হলো—এক ট্রেডে আপনার মোট পুঁজির ১% বা ২%-এর বেশি রিস্ক নেওয়া উচিত নয়। লস হলে সেটা যাতে গায়ে না লাগে, সেই ব্যবস্থা আগেই করে রাখতে হয়।
৫. শেখার চেয়ে সিগন্যালের ওপর ভরসা
নিজে এনালাইসিস না শিখে বিভিন্ন টেলিগ্রাম বা ফেসবুক গ্রুপের সিগন্যালের ওপর ভরসা করা হলো অন্ধের মতো রাস্তা পার হওয়ার শামিল। অন্যের বুদ্ধিতে সাময়িক লাভ হলেও, দিনশেষে আপনি পঙ্গু হয়েই থাকবেন।
সমাধান: সফল হতে হলে কী করবেন?
আপনি যদি সেই ৫% সফল মানুষের কাতারে থাকতে চান, তবে আজ থেকেই এই নিয়মগুলো মেনে চলুন:
১. ট্রেডিং জার্নাল মেইনটেইন করুন: প্রতিদিন কেন ট্রেড নিলেন, কী ভুল হলো, কী লাভ হলো—তা লিখে রাখুন।
২. লস মেনে নিতে শিখুন: স্টপ লস (Stop Loss) ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক করুন। ছোট লস মেনে নিলে বড় লস থেকে বাঁচা যায়।
৩. প্ল্যান ছাড়া এন্ট্রি নয়: চার্ট যতই লোভনীয় হোক, আপনার স্ট্র্যাটেজিতে না মিললে ট্রেড করবেন না। বসে থাকাও বা 'নো ট্রেড' করাও একটি পজিশন।
৪. শেখা থামাবেন না: প্রফিটের পেছনে না ছুটে স্কিল ডেভেলপমেন্টের পেছনে ছুটুন, টাকা এমনিতেই আসবে।

ট্রেডিং কোনো ১০০ মিটারের দৌড় নয়, এটি একটি ম্যারাথন। এখানে তারাই টিকে থাকে, যারা ধীরে সুস্থে প্রতিটি পা ফেলে। প্ল্যান ছাড়া মার্কেটে ঝাঁপ দিয়ে নিজের কষ্টার্জিত টাকা নষ্ট করবেন না। নিজেকে সময় দিন, শিখুন এবং তৈরি হন।
ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে প্রথম আয়ের অনুভূতি: একটি ডিজিটাল স্বপ্নের বাস্তব হওয়ার গল্পজীবনের প্রথম বেতন পাওয়ার আনন্দ বা টিউশনির জমানো টাকার ফিলিংস আমরা সবাই কমবেশি জানি। কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ট্রেডিং জগত থেকে প্রথম ইনকাম করার অনুভূতিটা? সেটা সম্পূর্ণ অন্যরকম! এটি শুধু কিছু টাকা আয় করা নয়, এটি প্রযুক্তির এক নতুন দুনিয়াকে জয় করার মতো। আজকের আর্টিকেলে সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতির গল্প এবং নতুনদের জন্য কিছু মূল্যবান অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করব। শুরুর দিকের দ্বিধা ও ভয় ক্রিপ্টো জগতে পা রাখার শুরুর সময়টা কারোরই মসৃণ হয় না। চার্ট বোঝেন না, ক্যান্ডেলস্টিকগুলো অদ্ভুত লাগে, আর মনে সবসময় একটা ভয় কাজ করে— "আসলেই কি এখান থেকে টাকা আয় করা সম্ভব? নাকি সব হারাবো?" স্ক্রিনে লাল আর সবুজ বাতির ঝলকানি দেখে মনে হয় এটা হয়তো জুয়া বা শুধুই ভাগ্য। আমিও এর ব্যতিক্রম ছিলাম না। লস করেছি, হতাশ হয়েছি, এমনকি কয়েকবার ভেবেছি সব ছেড়ে দেব। কিন্তু থামিনি। শেখার চেষ্টা চালিয়ে গেছি। সেই জাদুকরী মুহূর্তটি! তারপর একদিন সেই মুহূর্তটি এল। খুব ছোট একটি ট্রেড, হয়তো মাত্র ৫ বা ১০ ডলারের প্রফিট। কিন্তু স্ক্রিনে যখন দেখলাম আমার পোর্টফোলিও সবুজ হয়ে আছে এবং প্রফিটটা ব্যালেন্সে যোগ হয়েছে—সেই মুহূর্তের আনন্দটা কোটি টাকার চেয়েও বেশি ছিল। কিন্তু আসল চমক ছিল তার পরে। যখন সেই ডিজিটাল ডলার বা USDT প্রথমবারের মতো ভাঙিয়ে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বা বিকাশে টাকাটা ক্যাশ করলাম। মোবাইলে যখন মেসেজ এল— "Cash In Tk..."—তখন মনে হলো, এই "ইন্টারনেটের টাকা" আসলে বাস্তব! এটি কোনো গেম নয়, এটি স্কিল এবং ধৈর্যের ফলাফল। টাকা নয়, বিশ্বাস অর্জন ক্রিপ্টো থেকে প্রথম আয়ের অনুভূতিটা টাকার অঙ্কে মাপা যায় না। এটি মূলত নিজের প্রতি এবং এই টেকনোলজির প্রতি বিশ্বাস অর্জনের মুহূর্ত। এটি প্রমাণ করে যে, আপনি সঠিক পথে আছেন।এটি শেখায় যে, ধৈর্য ধরলে ফল পাওয়া যায়।এটি বুঝিয়ে দেয়, প্রথাগত চাকরির বাইরেও আয়ের একটি বিশাল জগত পড়ে আছে। নতুনদের জন্য কিছু পরামর্শ (যা আমি শিখেছি) প্রথম আয়ের এই আনন্দটা ধরে রাখতে হলে এবং সামনে এগিয়ে যেতে হলে নতুনদের কিছু বিষয় মনে রাখা খুব জরুরি: ১. লোভ করবেন না: প্রথম প্রফিট দেখলে আমাদের মধ্যে লোভ চলে আসে। মনে হয় এখনই বড়লোক হয়ে যাব। এই ভুল করবেন না। ছোট ছোট লক্ষে আগান। ২. শেখার বিকল্প নেই: লাক বা ভাগ্য দিয়ে একবার জেতা যায়, বারবার নয়। হ্যামার ক্যান্ডেল, সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স বা ফান্ডামেন্টাল—যেটাই হোক, শিখে ট্রেড করুন। ৩. লস মেনে নিতে শিখুন: লস ট্রেডিংয়েরই একটা অংশ। প্রথম ইনকামের আনন্দে আত্মহারা হয়ে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ভুলে যাবেন না। ৪. ধৈর্যই আসল চাবিকাঠি: রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন বাদ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করুন। শেষ কথা ক্রিপ্টো থেকে প্রথম ইনকাম করার গল্পটা অনেকটা সাইকেল চালানো শেখার মতো। শুরুতে অনেকবার পড়ে যাবেন, ব্যথা পাবেন, কিন্তু যেদিন ব্যালেন্স করে প্যাডেল ঘুরিয়ে সামনে এগিয়ে যাবেন—সেদিন বাতাসের ঝাপটায় সব কষ্ট ভুলে যাবেন। আপনার গল্পটা কী? আপনি কি আপনার প্রথম ক্রিপ্টো প্রফিট ঘরে তুলেছেন? নাকি এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন? কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন, হয়তো আপনার গল্পটিই অন্য কাউকে নতুন করে শুরু করার সাহস জোগাবে! #CryptoBD #BanglaCrypto #OnlineIncomeBD #Freelancing #Outsourcing #TakaIncome #BdTrader #ShareMarket #Bangladesh #CryptoCommunity

ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে প্রথম আয়ের অনুভূতি: একটি ডিজিটাল স্বপ্নের বাস্তব হওয়ার গল্প

জীবনের প্রথম বেতন পাওয়ার আনন্দ বা টিউশনির জমানো টাকার ফিলিংস আমরা সবাই কমবেশি জানি। কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ট্রেডিং জগত থেকে প্রথম ইনকাম করার অনুভূতিটা? সেটা সম্পূর্ণ অন্যরকম! এটি শুধু কিছু টাকা আয় করা নয়, এটি প্রযুক্তির এক নতুন দুনিয়াকে জয় করার মতো।
আজকের আর্টিকেলে সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতির গল্প এবং নতুনদের জন্য কিছু মূল্যবান অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করব।
শুরুর দিকের দ্বিধা ও ভয়
ক্রিপ্টো জগতে পা রাখার শুরুর সময়টা কারোরই মসৃণ হয় না। চার্ট বোঝেন না, ক্যান্ডেলস্টিকগুলো অদ্ভুত লাগে, আর মনে সবসময় একটা ভয় কাজ করে— "আসলেই কি এখান থেকে টাকা আয় করা সম্ভব? নাকি সব হারাবো?"
স্ক্রিনে লাল আর সবুজ বাতির ঝলকানি দেখে মনে হয় এটা হয়তো জুয়া বা শুধুই ভাগ্য। আমিও এর ব্যতিক্রম ছিলাম না। লস করেছি, হতাশ হয়েছি, এমনকি কয়েকবার ভেবেছি সব ছেড়ে দেব। কিন্তু থামিনি। শেখার চেষ্টা চালিয়ে গেছি।
সেই জাদুকরী মুহূর্তটি!
তারপর একদিন সেই মুহূর্তটি এল। খুব ছোট একটি ট্রেড, হয়তো মাত্র ৫ বা ১০ ডলারের প্রফিট। কিন্তু স্ক্রিনে যখন দেখলাম আমার পোর্টফোলিও সবুজ হয়ে আছে এবং প্রফিটটা ব্যালেন্সে যোগ হয়েছে—সেই মুহূর্তের আনন্দটা কোটি টাকার চেয়েও বেশি ছিল।
কিন্তু আসল চমক ছিল তার পরে। যখন সেই ডিজিটাল ডলার বা USDT প্রথমবারের মতো ভাঙিয়ে নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বা বিকাশে টাকাটা ক্যাশ করলাম। মোবাইলে যখন মেসেজ এল— "Cash In Tk..."—তখন মনে হলো, এই "ইন্টারনেটের টাকা" আসলে বাস্তব! এটি কোনো গেম নয়, এটি স্কিল এবং ধৈর্যের ফলাফল।
টাকা নয়, বিশ্বাস অর্জন
ক্রিপ্টো থেকে প্রথম আয়ের অনুভূতিটা টাকার অঙ্কে মাপা যায় না। এটি মূলত নিজের প্রতি এবং এই টেকনোলজির প্রতি বিশ্বাস অর্জনের মুহূর্ত।
এটি প্রমাণ করে যে, আপনি সঠিক পথে আছেন।এটি শেখায় যে, ধৈর্য ধরলে ফল পাওয়া যায়।এটি বুঝিয়ে দেয়, প্রথাগত চাকরির বাইরেও আয়ের একটি বিশাল জগত পড়ে আছে।
নতুনদের জন্য কিছু পরামর্শ (যা আমি শিখেছি)
প্রথম আয়ের এই আনন্দটা ধরে রাখতে হলে এবং সামনে এগিয়ে যেতে হলে নতুনদের কিছু বিষয় মনে রাখা খুব জরুরি:
১. লোভ করবেন না: প্রথম প্রফিট দেখলে আমাদের মধ্যে লোভ চলে আসে। মনে হয় এখনই বড়লোক হয়ে যাব। এই ভুল করবেন না। ছোট ছোট লক্ষে আগান।
২. শেখার বিকল্প নেই: লাক বা ভাগ্য দিয়ে একবার জেতা যায়, বারবার নয়। হ্যামার ক্যান্ডেল, সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স বা ফান্ডামেন্টাল—যেটাই হোক, শিখে ট্রেড করুন।
৩. লস মেনে নিতে শিখুন: লস ট্রেডিংয়েরই একটা অংশ। প্রথম ইনকামের আনন্দে আত্মহারা হয়ে রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ভুলে যাবেন না।
৪. ধৈর্যই আসল চাবিকাঠি: রাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন বাদ দিয়ে দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা করুন।
শেষ কথা
ক্রিপ্টো থেকে প্রথম ইনকাম করার গল্পটা অনেকটা সাইকেল চালানো শেখার মতো। শুরুতে অনেকবার পড়ে যাবেন, ব্যথা পাবেন, কিন্তু যেদিন ব্যালেন্স করে প্যাডেল ঘুরিয়ে সামনে এগিয়ে যাবেন—সেদিন বাতাসের ঝাপটায় সব কষ্ট ভুলে যাবেন।
আপনার গল্পটা কী? আপনি কি আপনার প্রথম ক্রিপ্টো প্রফিট ঘরে তুলেছেন? নাকি এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন? কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন, হয়তো আপনার গল্পটিই অন্য কাউকে নতুন করে শুরু করার সাহস জোগাবে!

#CryptoBD #BanglaCrypto #OnlineIncomeBD #Freelancing #Outsourcing #TakaIncome #BdTrader #ShareMarket #Bangladesh #CryptoCommunity
ক্যান্ডেলস্টিক কিছুই বোঝেন না? শুধু 'হ্যামার' ক্যান্ডেল চিনলেই প্রফিট করা সম্ভব!ট্রেডিং চার্টের দিকে তাকালে কি আপনার মাথা ঘোরে? লাল-সবুজ হাজারো ক্যান্ডেল আর জটিল সব প্যাটার্ন দেখে কি মনে হয় ট্রেডিং আপনার জন্য নয়? চিন্তার কিছু নেই! সফল ট্রেডার হওয়ার জন্য আপনাকে সব প্যাটার্ন মুখস্ত করতে হবে না। মার্কেটে এমন একটি ক্যান্ডেল আছে, যা দেখতে একদম সাধারণ হাতুড়ির মতো, কিন্তু এর ক্ষমতা অসীম। এর নাম ‘হ্যামার’ (Hammer)। আজ আমরা শিখব, কীভাবে জটিল এনালাইসিস ছাড়াই শুধুমাত্র একটি ‘হ্যামার’ ক্যান্ডেল চিনে আপনি প্রফিট করতে পারেন। ১. হ্যামার (Hammer) ক্যান্ডেল দেখতে কেমন? নামের মতোই এটি দেখতে বাস্তব জীবনের একটি হাতুড়ির মতো। একে চেনার সহজ উপায়: ছোট বডি: এর ওপরের অংশটি (Body) খুব ছোট হয়।লম্বা লেজ (Wick): এর নিচের দিকে একটি লম্বা সুতোর মতো অংশ থাকে, যাকে লোয়ার শ্যাডো বা লেজ বলা হয়। এই লেজটি বডির তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ বা তিনগুণ বড় হয়।কালার: এটি সবুজ বা লাল—যেকোনো রঙের হতে পারে। তবে লাল রঙের চেয়ে সবুজ হ্যামার বেশি শক্তিশালী সিগন্যাল দেয় (মানে মার্কেট বাড়ার সম্ভাবনা বেশি)। ২. এটি কেন এত শক্তিশালী? (এর পেছনের গল্প) হ্যামার ক্যান্ডেলের সাইকোলজি বোঝা খুব জরুরি। ধরুন, মার্কেট নিচের দিকে নামছিল (Down Trend)। সেলাররা প্রাইসকে একদম নিচে নামিয়ে দেয় (যে কারণে লম্বা লেজ তৈরি হয়)। কিন্তু হঠাৎ করে বায়াররা (Buyers) মার্কেটে ঢুকে পড়ে এবং প্রাইসকে আবার ধাক্কা দিয়ে ওপরের দিকে তুলে নিয়ে এসে ক্যান্ডেল ক্লোজ করে। সহজ কথায়: হ্যামার মানেই হলো—সেলাররা হেরে গেছে, বায়াররা কন্ট্রোল নিয়ে নিয়েছে। ৩. হ্যামার দেখলেই কি বাই (Buy) করবেন? না! এখানেই অনেকে ভুল করে। হ্যামার ক্যান্ডেল দিয়ে প্রফিট করার গোল্ডেন রুলস গুলো হলো: রুল ১: ডাউনট্রেন্ড বা মার্কেটের নিচে হতে হবে হ্যামার তখনই কাজ করে যখন মার্কেট নিচের দিকে পড়তে থাকে। চার্টের মাঝখানে বা একদম চূড়ায় হ্যামার দেখলে ট্রেড নেওয়া যাবে না। এটি সাপোর্ট লেভেলে তৈরি হলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে।রুল ২: কনফার্মেশন ক্যান্ডেল হ্যামার ক্যান্ডেল শেষ হওয়ার পরেই হুট করে ট্রেড নেবেন না। অপেক্ষা করুন পরবর্তী ক্যান্ডেলটির জন্য। যদি পরের ক্যান্ডেলটি সবুজ হয় এবং হ্যামারের হাই (High) ব্রেক করে উপরে যায়, তবেই এন্ট্রি নিন। ৪. ট্রেডিং সেটআপ (কোথায় কিনবেন, কোথায় বের হবেন) এন্ট্রি (Entry): হ্যামার তৈরি হওয়ার পর যখন পরের ক্যান্ডেলটি হ্যামারের উপরের প্রাইস ব্রেক করবে।স্টপ লস (Stop Loss): হ্যামার ক্যান্ডেলের যে লম্বা লেজটি আছে, তার ঠিক নিচে স্টপ লস সেট করুন। এটি আপনাকে বড় লস থেকে বাঁচাবে।টেক প্রফিট (Take Profit): পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল অথবা ১:২ রিস্ক রিওয়ার্ড রেশিও ফলো করুন। শেষ কথা ট্রেডিং জগতে একটি প্রবাদ আছে— "Keep It Simple, Silly!"। জটিল সব ইন্ডিকেটরের ভিড়ে হারিয়ে না গিয়ে, চার্টের এই ছোট ছোট সিগন্যালগুলো বোঝার চেষ্টা করুন। হ্যামার ক্যান্ডেল রিভার্সাল বা মার্কেট ঘুরে দাঁড়ানোর অন্যতম সেরা সংকেত। আজই আপনার চার্ট ওপেন করুন এবং দেখুন তো খুঁজে পান কিনা—কোথায় কোথায় 'হ্যামার' তৈরি হয়েছিল এবং এরপর মার্কেট কীভাবে উপরে উঠেছিল! #bitcoin #cryptonews #banglatrading

ক্যান্ডেলস্টিক কিছুই বোঝেন না? শুধু 'হ্যামার' ক্যান্ডেল চিনলেই প্রফিট করা সম্ভব!

ট্রেডিং চার্টের দিকে তাকালে কি আপনার মাথা ঘোরে? লাল-সবুজ হাজারো ক্যান্ডেল আর জটিল সব প্যাটার্ন দেখে কি মনে হয় ট্রেডিং আপনার জন্য নয়?
চিন্তার কিছু নেই! সফল ট্রেডার হওয়ার জন্য আপনাকে সব প্যাটার্ন মুখস্ত করতে হবে না। মার্কেটে এমন একটি ক্যান্ডেল আছে, যা দেখতে একদম সাধারণ হাতুড়ির মতো, কিন্তু এর ক্ষমতা অসীম। এর নাম ‘হ্যামার’ (Hammer)।
আজ আমরা শিখব, কীভাবে জটিল এনালাইসিস ছাড়াই শুধুমাত্র একটি ‘হ্যামার’ ক্যান্ডেল চিনে আপনি প্রফিট করতে পারেন।
১. হ্যামার (Hammer) ক্যান্ডেল দেখতে কেমন?
নামের মতোই এটি দেখতে বাস্তব জীবনের একটি হাতুড়ির মতো। একে চেনার সহজ উপায়:
ছোট বডি: এর ওপরের অংশটি (Body) খুব ছোট হয়।লম্বা লেজ (Wick): এর নিচের দিকে একটি লম্বা সুতোর মতো অংশ থাকে, যাকে লোয়ার শ্যাডো বা লেজ বলা হয়। এই লেজটি বডির তুলনায় অন্তত দ্বিগুণ বা তিনগুণ বড় হয়।কালার: এটি সবুজ বা লাল—যেকোনো রঙের হতে পারে। তবে লাল রঙের চেয়ে সবুজ হ্যামার বেশি শক্তিশালী সিগন্যাল দেয় (মানে মার্কেট বাড়ার সম্ভাবনা বেশি)।
২. এটি কেন এত শক্তিশালী? (এর পেছনের গল্প)
হ্যামার ক্যান্ডেলের সাইকোলজি বোঝা খুব জরুরি। ধরুন, মার্কেট নিচের দিকে নামছিল (Down Trend)। সেলাররা প্রাইসকে একদম নিচে নামিয়ে দেয় (যে কারণে লম্বা লেজ তৈরি হয়)। কিন্তু হঠাৎ করে বায়াররা (Buyers) মার্কেটে ঢুকে পড়ে এবং প্রাইসকে আবার ধাক্কা দিয়ে ওপরের দিকে তুলে নিয়ে এসে ক্যান্ডেল ক্লোজ করে।
সহজ কথায়: হ্যামার মানেই হলো—সেলাররা হেরে গেছে, বায়াররা কন্ট্রোল নিয়ে নিয়েছে।
৩. হ্যামার দেখলেই কি বাই (Buy) করবেন?
না! এখানেই অনেকে ভুল করে। হ্যামার ক্যান্ডেল দিয়ে প্রফিট করার গোল্ডেন রুলস গুলো হলো:
রুল ১: ডাউনট্রেন্ড বা মার্কেটের নিচে হতে হবে
হ্যামার তখনই কাজ করে যখন মার্কেট নিচের দিকে পড়তে থাকে। চার্টের মাঝখানে বা একদম চূড়ায় হ্যামার দেখলে ট্রেড নেওয়া যাবে না। এটি সাপোর্ট লেভেলে তৈরি হলে সবচেয়ে ভালো কাজ করে।রুল ২: কনফার্মেশন ক্যান্ডেল
হ্যামার ক্যান্ডেল শেষ হওয়ার পরেই হুট করে ট্রেড নেবেন না। অপেক্ষা করুন পরবর্তী ক্যান্ডেলটির জন্য। যদি পরের ক্যান্ডেলটি সবুজ হয় এবং হ্যামারের হাই (High) ব্রেক করে উপরে যায়, তবেই এন্ট্রি নিন।
৪. ট্রেডিং সেটআপ (কোথায় কিনবেন, কোথায় বের হবেন)
এন্ট্রি (Entry): হ্যামার তৈরি হওয়ার পর যখন পরের ক্যান্ডেলটি হ্যামারের উপরের প্রাইস ব্রেক করবে।স্টপ লস (Stop Loss): হ্যামার ক্যান্ডেলের যে লম্বা লেজটি আছে, তার ঠিক নিচে স্টপ লস সেট করুন। এটি আপনাকে বড় লস থেকে বাঁচাবে।টেক প্রফিট (Take Profit): পরবর্তী রেজিস্ট্যান্স লেভেল অথবা ১:২ রিস্ক রিওয়ার্ড রেশিও ফলো করুন।
শেষ কথা
ট্রেডিং জগতে একটি প্রবাদ আছে— "Keep It Simple, Silly!"। জটিল সব ইন্ডিকেটরের ভিড়ে হারিয়ে না গিয়ে, চার্টের এই ছোট ছোট সিগন্যালগুলো বোঝার চেষ্টা করুন। হ্যামার ক্যান্ডেল রিভার্সাল বা মার্কেট ঘুরে দাঁড়ানোর অন্যতম সেরা সংকেত।
আজই আপনার চার্ট ওপেন করুন এবং দেখুন তো খুঁজে পান কিনা—কোথায় কোথায় 'হ্যামার' তৈরি হয়েছিল এবং এরপর মার্কেট কীভাবে উপরে উঠেছিল!

#bitcoin #cryptonews #banglatrading
মার্কেট কি আরও নামবে? জেনে নিন LINK-এর পরবর্তী বাই জোনএই চার্টটি (LINK/USDT, 1-Hour Timeframe) বিশ্লেষণ করে বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে কিছু টেকনিক্যাল পয়েন্ট নিচে দেওয়া হলো। তবে মনে রাখবেন, এটি কোনো ফাইনান্সিয়াল অ্যাডভাইস বা নিশ্চিত পরামর্শ নয়, শুধুমাত্র চার্ট প্যাটার্ন ও ইন্ডিকেটরের ওপর ভিত্তি করে একটি বিশ্লেষণ। চার্ট পর্যবেক্ষণ ও এনালাইসিস: ১. বর্তমান প্রাইস অ্যাকশন: মার্কেট এখন কিছুটা কারেকশন মোডে আছে। প্রাইস ১৪.২০-এর হাই (High) থেকে নেমে বর্তমানে ১৩.৬৮-এর আশেপাশে ট্রেড করছে। সাম্প্রতিক ক্যান্ডেলগুলো বিয়ারিশ (লাল), যার মানে সেলিং প্রেসার এখনো আছে। ২. Stoch RSI (স্টকাস্টিক আরএসআই): নিচের প্যানেলে Stoch RSI লাইনগুলো (নীল ও কমলা) বর্তমানে ৪০-এর আশেপাশে আছে এবং নিচের দিকে মুখ করা।এটি এখনো Oversold Zone (২০-এর নিচে) আসেনি। সাধারণত বাই এন্ট্রি নেওয়ার জন্য Stoch RSI ২০-এর নিচে গিয়ে আবার উপরের দিকে ক্রস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করা নিরাপদ। ৩. RSI Divergence Indicator: RSI বর্তমানে ৪০.৬৪-তে আছে। এটিও নিচের দিকে নামছে।চার্টে ইতিমধ্যে "Bear" (বিয়ারিশ) সিগন্যাল দেখা গেছে, যা নির্দেশ করছে প্রাইস কিছুটা নামতে পারে। RSI ৩০-এর কাছাকাছি বা নিচে আসলে তখন রিভার্সালের সম্ভাবনা বাড়ে। কোথায় বাই (Buy) করার কথা ভাবা যেতে পারে? চার্টের সাপোর্ট লেভেলগুলো দেখলে সম্ভাব্য এন্ট্রি পয়েন্ট হতে পারে: লেভেল ১ (রিস্কি এন্ট্রি): $১৩.৪০ - $১৩.৫০আগের কিছু ক্যান্ডেল এই জোনে সাপোর্ট নিয়েছিল। যদি এখান থেকে মার্কেট রিভার্স করে এবং Stoch RSI উপরের দিকে ক্রস করে, তবে স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য দেখা যেতে পারে।লেভেল ২ (স্ট্রং সাপোর্ট/নিরাপদ জোন): $১২.৮০ - $১৩.২০চার্টে দেখা যাচ্ছে ১৩.০০ থেকে ১৩.২০ এর এরিয়াতে প্রাইস আগে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করেছে (Consolidation Zone)। এটি একটি শক্ত সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।যদি প্রাইস ১২.৮০ - ১৩.০০-এর মধ্যে আসে এবং ইন্ডিকেটরগুলো Oversold দেখায়, তবে সেটি একটি ভালো বাই জোন হতে পারে। সিদ্ধান্ত: বর্তমানে ইন্ডিকেটরগুলো এখনো পুরোপুরি নিচে নামেনি (Oversold হয়নি)। তাই এখনই তাড়াহুড়ো করে এন্ট্রি না নিয়ে $১৩.৪০ অথবা আরও নিচে $১৩.০০-১৩.২০ রেঞ্জের জন্য অপেক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে। যখন দেখবেন Stoch RSI লাইন ২০-এর নিচে গিয়ে আবার উপরে উঠছে এবং সবুজ ক্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে, তখন এন্ট্রি নেওয়া তুলনামূলক নিরাপদ।

মার্কেট কি আরও নামবে? জেনে নিন LINK-এর পরবর্তী বাই জোন

এই চার্টটি (LINK/USDT, 1-Hour Timeframe) বিশ্লেষণ করে বর্তমান অবস্থার প্রেক্ষিতে কিছু টেকনিক্যাল পয়েন্ট নিচে দেওয়া হলো। তবে মনে রাখবেন, এটি কোনো ফাইনান্সিয়াল অ্যাডভাইস বা নিশ্চিত পরামর্শ নয়, শুধুমাত্র চার্ট প্যাটার্ন ও ইন্ডিকেটরের ওপর ভিত্তি করে একটি বিশ্লেষণ।
চার্ট পর্যবেক্ষণ ও এনালাইসিস:
১. বর্তমান প্রাইস অ্যাকশন: মার্কেট এখন কিছুটা কারেকশন মোডে আছে। প্রাইস ১৪.২০-এর হাই (High) থেকে নেমে বর্তমানে ১৩.৬৮-এর আশেপাশে ট্রেড করছে। সাম্প্রতিক ক্যান্ডেলগুলো বিয়ারিশ (লাল), যার মানে সেলিং প্রেসার এখনো আছে।
২. Stoch RSI (স্টকাস্টিক আরএসআই):
নিচের প্যানেলে Stoch RSI লাইনগুলো (নীল ও কমলা) বর্তমানে ৪০-এর আশেপাশে আছে এবং নিচের দিকে মুখ করা।এটি এখনো Oversold Zone (২০-এর নিচে) আসেনি। সাধারণত বাই এন্ট্রি নেওয়ার জন্য Stoch RSI ২০-এর নিচে গিয়ে আবার উপরের দিকে ক্রস করা পর্যন্ত অপেক্ষা করা নিরাপদ।
৩. RSI Divergence Indicator:
RSI বর্তমানে ৪০.৬৪-তে আছে। এটিও নিচের দিকে নামছে।চার্টে ইতিমধ্যে "Bear" (বিয়ারিশ) সিগন্যাল দেখা গেছে, যা নির্দেশ করছে প্রাইস কিছুটা নামতে পারে। RSI ৩০-এর কাছাকাছি বা নিচে আসলে তখন রিভার্সালের সম্ভাবনা বাড়ে।
কোথায় বাই (Buy) করার কথা ভাবা যেতে পারে?
চার্টের সাপোর্ট লেভেলগুলো দেখলে সম্ভাব্য এন্ট্রি পয়েন্ট হতে পারে:
লেভেল ১ (রিস্কি এন্ট্রি): $১৩.৪০ - $১৩.৫০আগের কিছু ক্যান্ডেল এই জোনে সাপোর্ট নিয়েছিল। যদি এখান থেকে মার্কেট রিভার্স করে এবং Stoch RSI উপরের দিকে ক্রস করে, তবে স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য দেখা যেতে পারে।লেভেল ২ (স্ট্রং সাপোর্ট/নিরাপদ জোন): $১২.৮০ - $১৩.২০চার্টে দেখা যাচ্ছে ১৩.০০ থেকে ১৩.২০ এর এরিয়াতে প্রাইস আগে অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরি করেছে (Consolidation Zone)। এটি একটি শক্ত সাপোর্ট হিসেবে কাজ করতে পারে।যদি প্রাইস ১২.৮০ - ১৩.০০-এর মধ্যে আসে এবং ইন্ডিকেটরগুলো Oversold দেখায়, তবে সেটি একটি ভালো বাই জোন হতে পারে।
সিদ্ধান্ত:
বর্তমানে ইন্ডিকেটরগুলো এখনো পুরোপুরি নিচে নামেনি (Oversold হয়নি)। তাই এখনই তাড়াহুড়ো করে এন্ট্রি না নিয়ে $১৩.৪০ অথবা আরও নিচে $১৩.০০-১৩.২০ রেঞ্জের জন্য অপেক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ হতে পারে। যখন দেখবেন Stoch RSI লাইন ২০-এর নিচে গিয়ে আবার উপরে উঠছে এবং সবুজ ক্যান্ডেল তৈরি হচ্ছে, তখন এন্ট্রি নেওয়া তুলনামূলক নিরাপদ।
Conectați-vă pentru a explora mai mult conținut
Explorați cele mai recente știri despre criptomonede
⚡️ Luați parte la cele mai recente discuții despre criptomonede
💬 Interacționați cu creatorii dvs. preferați
👍 Bucurați-vă de conținutul care vă interesează
E-mail/Număr de telefon
Harta site-ului
Preferințe cookie
Termenii și condițiile platformei